ডিজিটাল সুবিধায় দেশে জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ঢাকায় ডাক অধিদপ্তর মিলনায়তনে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস -২০১৯ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আগামী দিনের ডিজিটাল পৃথিবীর নেতৃত্বের উপযোগী করে গড়ে তুলতে জনবান্ধব প্রশাসন অপরিহার্য। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রশাসনকে সরকার মানুষের কাছে নিতে সক্ষম হয়েছে। ইতোমধ্যে চিহ্নিত ২৭শত ৬০টি ডিজিটাল সেবার মধ্যে ৯শতটি সরকারি সেবা জনগণকে সরাসরি দেয়া হচ্ছে। জনগণকে ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে শৈথিল্য প্রদর্শনের কোন সুযোগ নেই।
মন্ত্রী বলেন, জনগণ যাতে বিনা ভোগান্তিতে এবং সহজে সরকারি সেবা পান সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান দৃরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ যুগান্তকারি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুপার হাইওয়ে নির্মাণসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারিদেরকেও ডিজিটাল হতে হবে। এই ক্ষেত্রে কিছুটা সীমাবন্ধতা থাকতে পারে কিন্তু ডিজিটাল যুগে বাস করে এনালগ থাকার সুযোগ নেই।

মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদের দক্ষ নেতৃত্বে দেশে ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জনপ্রশাসনে শতভাগ ডিজিটাল যাত্রার সাথে আপসের কোন সুযোগ নেই। সামনের দিন গুলো অতীতের মত যাবে না উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভবিষ্যতে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের সেবা ডিজিটাল প্রদ্ধতিতে দিতে হবে ।
নিজ বিভাগের কর্মকর্তাদের আগামী দিনের প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল যুগে নতুন আরেকটি যুগ শুরু হয়েছে আর তা হলো বাংলাদেশ ফাইভ-জিতে যাচ্ছে। সামনের দিনের প্রযুক্তি একটি নতুন সভ্যতার সুযোগ দিবে। প্রযুক্তি আসবে - বদলাবে- রূপান্তরিত হবে। আমাদের দায়িত্ব ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য তাদের উপযোগী দেশ গড়ে তোলা।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহাদাৎ হোসেন ও মো. আজিজুল ইসলাম এবং ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুধাংশু সেখর ভদ্র প্রমুখ এসময় বক্তৃতা করেন।